অন্য ভাষার কবিতা :: মোসাব্বির আহে আলী

images

কবিতা আর গানের মধ্যে একটা স্পষ্ট ব্যবধান আছে।  গানের বাণী না হলেও অন্তত এর সুর সর্বব্যাপী, বুঝতে কোন ভৌগোলিক ও ভাষিক প্রস্তুতি লাগে না,  সবার কানেই ঝংকার তৈরি করে, অন্যদিকে কবিতাকে অবশ্যই বোধগম্য হতে হয়। এবং তা স্পষ্টভাবেই। নাহলে এর সঘন পরিমিত শরীরের যে গুঢ় আহ্বান বা অর্থ তা বোধের অধীন হয় না। ফলে কবিতার বাণী যদি অন্য ভাষায়, অন্য দেশ ও সংস্কৃতির মোড়কে লুকনো থাকে, তাহলে তা একজন ভিন ভাষার পাঠক নিজের ভাষায় বুঝতে চায়। আর সেজন্যই ভাষান্তরের প্রসঙ্গ আসে। এখানে আমি  আমাদের সমকালে (দ্বিতীয় দশকে) কয়েকজন ভিনদেশী তরুণের কবিতা বাংলায় তরজমা করার চেষ্টা করলাম। একই সাথে পঞ্চদশ শতাব্দীতে একজন চীনা রাজার( পরবর্তীতে নির্বাসিত) একটি ক্লাসিক কবিতার বাংলায়নও যুক্ত করা হলো। উল্লেখ্য, প্রতিটি কবিতায় একটি সাধারণ বিষয়ের অবতারণ আছে, আর তাহলো মিউজিক বা গান। এই কবিতাগুলো একসাথে জড়ো করার এটিই মূল কারণ  ]

Read More »

ঐতিহ্য ও ব্যক্তিপ্রতিভা : টি এস এলিয়ট :: অনুবাদ: হাসানআল আব্দুল্লাহ

১. ইংরেজী ভাষায় লেখালেখিতে আমরা ঐতিহ্যের কথা খুব একটা উল্লেখ করি না, যদিও ব্যবহারিক ভাবে এর অনুপস্থিতিতে অসন্তোষ প্রকাশে প্রায়শই এর কথা তুলি। আমরা নির্দিষ্ট করতে পারি না “কার ঐতিহ্য” বা “কোন ঐতিহ্য;” কিন্তু সর্বতভাবে কারো কারো কবিতার ক্ষেত্রে এমন বিশেষণ ব্যবহার করি যে তিনি “ঐতিহ্যিক” বা “ঘোর ঐতিহ্যিক।” এ-ও সম্ভব যে এ ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয় কোনো রকম বিচার বিশ্লেষণ ছাড়াই। অন্যথায় সন্তোষজনক বা কার্যকরী প্রত্মতাত্ত্বিক পুননির্মাণে অনেকটাই অস্পষ্টতা থেকে যায়। বিজ্ঞান ও প্রত্মতাত্ত্বিক সূত্র উল্লেখ ব্যতীত ইংরেজ পাঠকদের কানে এ ধরনের লেখা গ্রহণীয় করা তেমন সম্ভব হয়ে ওঠে না।

Read More »

থাইল্যান্ডের কবিতা :: ভাষান্তর : মাসুদ খান

Vector illustration of an hand drawing - Two women harvesting rice in asia

অঙ্গকরণ  কল্যাণাপং (১৯২৬-২০১২)। কবি ও চিত্রশিল্পী। তাঁর সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ও শিল্পী। জন্ম থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলীয় নাখোন সি তাম্মারাত প্রদেশে। শিল্পকরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক– চিত্রকলা, স্থাপত্য ও গ্রাফিক আর্টসে, আধুনিক থাই চিত্রকলার জনক শিল্প বীরশ্রী-র অধীনে। লেখালিখির শুরু গত শতকের ৫০-এর দশকের শেষ দিক থেকে। প্রথম-প্রথম সমালোচিত হন খুব– কবিতার প্রচলিত প্রথা ভাঙার অপবাদে, অপ্রথাগত ভাষা ব্যবহারের অপবাদে। তাঁর বহুল-আলোচিত গ্রন্থ ‘পানিতান কাউয়ি’ (কবির শপথ)-এর জন্য পান সাউথ-ইস্ট এশিয়া রাইট অ্যাওয়ার্ড, ১৯৮৬ তে। বইটিতে কবি ও কবিতা সম্পর্কে ব্যাখ্যা করেন এভাবে: “কবির প্রতিটি হৃৎস্পন্দনে থাকবে কবিতা। কবিরা হলেন আসমান ও জমিনের প্রকৃত উত্তরাধিকারী। কবিতা হলো কবির শ্বাসপ্রশ্বাসের মতো”। জাতীয় শিল্পী (সাহিত্য) সম্মানে ভূষিত হন ১৯৮৯ তে। তাঁর শেষদিকের কিছু লেখা ছিল রাজনীতি-প্রাণিত। ভেতরে-ভেতরে ভাগ হয়ে যাওয়া থাইল্যান্ডের গভীর সঙ্কট প্রতিফলিত হয়েছে সেসব লেখায়। চিত্রশিল্পী হিসাবেও বিখ্যাত তিনি। উঁচুমানের বেশ কিছু শিল্পকর্ম রয়েছে তাঁর।]       

Read More »

তিনটি প্যারাবল :: ভাষান্তর : বদরুজ্জামান আলমগীর

alamgir

বাইবেলের ল্যুক চ্যাপ্টারে আমরা প্রথম প্যারাবলের দেখা পাই। আদিতে নৈতিকতা শিক্ষা দেবার একধরনের গল্প ছিল প্যারাবল- অনেকটাই ফেবলের জ্ঞাতি ভাই। কালক্রমে প্যারাবল অনেক অদলবদল, অভিজ্ঞান ও দার্শনিক মোকাবেলা সঙ্গে নিয়ে আজ এক পরিপূর্ণ, পরিপক্ক মাধ্যম হিসাবে উঠে এসেছে। শুরুতে প্যারাবল ধর্মীয় নৈয়ায়িকতার নিশ্চিদ্র অঞ্চলে বাস করতো; ফলে তার সঙ্গে থিয়োলজিক্যাল জ্ঞানবত্তার কোনো তফাৎ ছিল না, কিন্তু এখন প্যারাবল প্যারাডক্স ডিল করতে জানে, পলেমিকস আহবান করে, এমনকী ধর্মীয় চৈতন্যের বিপক্ষ দার্শনিক ঘরানা তৈরি করতেও দ্বিধা করে না; সে আজকাল সহসা বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকাণ্ড বিনির্মানেও ব্রতী হয়।

Read More »

শেরম্যান অ্যালেক্সি’র কবিতা :: অনুবাদ : আল ইমরান সিদ্দিকী

ShermanAlexie-credit-ChaseJarvis-56a1c0fb3df78cf7726da55b (1)

শেরম্যান অ্যালেক্সি নেটিভ অ্যামেরিকান কবি ও ঔপন্যাসিক। তার জন্ম ৭ অক্টোবর, ১৯৬৬ সালে ওয়াশিংটনের একটি ইন্ডিয়ান রিজার্ভেশনে। তিনি ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে অ্যামেরিকান স্ট্যাডিজে গ্রাজুয়েশন করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কবিতার বইগুলি হলো ফেস(২০০৯), ওয়ান স্টিক সং (২০০০), দ্য ম্যান হু লাভস স্যালমন (১৯৯৮), দ্য সামার অব ব্লাক উইন্ডো(১৯৯৫) ইত্যাদি। তাঁর প্রথম কবিতার বই ‘দ্যা বিজনেস এন্ড ফ্যান্সি ড্যান্সিং’ প্রকাশিত হয় ১৯৯২সালে। কবিতার পাশাপাশি তিনি বেশ কয়েকটি উপন্যাস ও গল্পসংকলন প্রকাশ করেছেন। তিনি ওয়াশিংটন স্টেট আর্টস কমিশন এন্ড ন্যাশনাল এন্ডোমেন্ট ফর দ্য আর্টস থেকে কবিতা-ফেলোশিপ এবং লিলা ওয়ালেস-রিডারস ডাইজেস্ট থেকে রাইটার্স অ্যাওয়ার্ড পান। এছাড়া তিনি গ্রান্টা ম্যাগাজিন থেকে স্ট্রেঞ্জার জিনিয়াস অ্যাওয়ার্ড, বোস্টন গ্লোব-হর্ন বুক অ্যাওয়ার্ড, পুশকার্ট পুরস্কার, পেন/মালামুদ পুরস্কার  পেয়েছেন তাঁর কাজের স্বীকৃতস্বরূপ।

Read More »

লুইস গ্লাক’র কবিতা :: ভাষান্তর : লায়লা ফারজানা

imageedit_2_6638914655

নোবেল বিজয়ী লুইস গ্লাক’র জন্ম ১৯৪৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরে। কিন্তু বেড়ে ওঠেন নিউ ইয়র্কের লং আইল্যান্ডে। তিনি ১৯৬১ সালে জর্জ ডব্লিউ হাই স্কুল, হিউলেট, নিউ ইয়র্ক থেকে গ্রাজুয়েশন করেন। পরবর্তীতে তিনি সারাহ লরেন্সে কলেজ ও কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন। বর্তমানে তিনি ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।    লুইস গ্লাক তাঁর ‘ওয়াইল্ড আইরিস’ কবিতা-গ্রন্থের জন্য ১৯৯৩ সালে পুলিৎজার প্রাইজ পান। তিনি পুলিৎজার প্রাইজ’র পাশাপাশি ন্যাশনাল বুক ক্রিটিকস সার্কেল অ্যাওয়ার্ড, দ্য একাডেমি অব অ্যামেরিকান পোয়েট’স প্রাইজসহ বেশ কিছু পুরস্কারে ভূষিত হন। অবশেষ ২০২০ সালে সাহিত্য নোবেল পুরস্কার পান তিনি। নোবেল-কমিটি তাদের বক্তব্যে বলেন, ‘”Her unmistakable poetic voice that with austere beauty makes individual existence universal”। লুইস গ্লাকের কবিতা মূলত আত্মজৈবনিক। ব্যক্তিগত হতাশা, আশা-আকাঙ্ক্ষা, সাফল্য-ব্যর্থতা, নিঃসঙ্গতা ধ্রুপদী মিথের সাথে মাখামাখি হয়ে ধরা দিয়েছে তাঁর কবিতায়।  লুইস গ্লাকের কবিতার বইয়ের সংখ্যা মোট এগারটি। তন্মধ্যে ’দ্য সেভেন এইজ’ , ’ভিটা নোভা’ ও ‘এভেরনো’ উল্লেখযোগ্য। কবিতার পাশাপাশি ‘প্রুফস এন্ড থিওরিস’, ‘এসেস অন পোয়েট্রি’ তাঁর বহুল আলোচিত গদ্যসংগ্রহ।

Read More »

ট্রেসি কে. স্মিথ’র কবিতা :: অনুবাদ : আল ইমরান সিদ্দিকী

ttc

ট্রেসি কে. স্মিথ’র জন্ম ১৯৭২ সালের ১৬ এপ্রিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যে। কিন্তু, তিনি বেড়ে ওঠেন ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে। ২০১৭ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত তিনি ‘পোয়েট লরিয়েট অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস’ হিসেবে কাজ করেছেন । স্মিথ পেশায় একজন শিক্ষক। তিনি ১৯৯৪ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন এবং ১৯৯৭ সালে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ক্রিয়েটিভ রাইটিংয়ে এমএফএ অর্জন করেন। স্মিথ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পিটার্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন।  এ যাবৎ তাঁর প্রকাশিত কবিতার বইয়ের সংখ্যা চারটি। ‘লাইফ অন মার্স’ নামক কবিতার বইয়ের জন্য তিনি ২০১১ সালে পুলিৎজার প্রাইজ পেয়েছেন।

Read More »

গ্রেগরী পার্ডলো’র কবিতা:: অনুবাদ: লায়লা ফারজানা

Gregory-Pardlo-Star-200928sized29

গ্রেগরী পার্ডলো’র জন্ম ১৯৬১ সালের ২৪ নভেম্বর, ফিলাডেলফিয়ায়, কিন্তু বেড়ে ওঠেন নিউ জার্সির উইলিংবোরোতে। ২০০৭ সাথে প্রকাশিত তাঁর ‘টোটেম’ নামক কবিতার বইয়ের জন্য তিনি এপিআর/ হনিকম্যান ফাস্ট বুক প্রাইজ পান এবং ২০১৪ সালে প্রকাশিত ‘ডাইজেস্ট’ নামক কবিতার বইয়ের জন্য পান পুলিৎজার পুরস্কার । ২০১৭ সালে পার্ডলো  গুগেনহাইম ফেলোশিপ-এ ভূষিত হন। বর্তমানে তিনি নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিনে বসবাস করেন এবং নিউ জার্সির রাটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ে(ক্যামডেন), এমএফএ প্রোগ্রামে শিক্ষকতা করছেন। অতীতে তিনি কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। তাঁর কবিতা পড়তে গিয়ে পাঠক বারেবার হোঁচট খেতে পারেন, কারণ, কবিতার শব্দ নির্বাচন ও বাক্যগঠনে তিনি অত্যন্ত বেপরোয়া, পরিমার্জনায় তেমন আস্থাশীল নন, বরং একেই তিনি তাঁর কবিতার প্রাণ মনে করেন। আরেক বিখ্যাত কবি সাইরাস ক্যাসল্‌স পার্ডলো’র কবিতা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছেন, “Pardlo is a modern griot and shape-shifter, a Prospero of unforced allusion: an up-for-anything Pardlo poem can deftly evoke sociology, jazz, lofty philosophy, African-American lit, Russian cinema, Greek mythology, European travel, film noir, hip hop, and a host of other topics.”

Read More »

ডোনাল্ড জাস্টিস’র একগুচ্ছ কবিতা :: বদরুজ্জামান আলমগীর

Donald-Justice-1

ডোনাল্ড জাস্টিস যেন ঠিক কবি নন—স্মৃতির কারবারি। স্মৃতি নিয়ে এত কায়কারবার অন্য কোনো কবি করেছেন বলে ত্বরিত মনে পড়ে না। ব্যাপারটা বেশ বিস্ময়কর—স্মৃতির বাগান গোছাতে গিয়ে তিনি কখনোই পদ্যকার হয়ে ওঠেননি, কবি-ই থাকেন, কখনও হেলে পড়েননি। কবিতার বিন্যাস, আঁটসাঁট বাঁধন অষ্টপ্রহর ঠিকঠিক ধরে রাখতে জানেন: ধারালো, নির্মেদ কাঠামো, মিটার, চিত্রকল্পের গড়নে সৃজনশীলভাবে মেধাবী, লিখেছেন ঘনবদ্ধ হিসাবী সেস্টিনা, সনেট, সেই সাথে মুক্তছন্দের কবিতাও। ডোনাল্ড জাস্টিস সম্পর্কে মার্ক স্ট্র‍্যান্ড’র বিবেচনাটুকু তুলে আনা যায়: কবিতা পড়াকালে আমাদের মধ্যে যে প্রত্যাশা জাগে—জাস্টিস তার সবই কবিতার পাতে তোলেন, অন্যদিকে স্মৃতির কথা বলতে বলতে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও কবিতাকে মনমরা করে তোলেন না—বেদনা ও আনন্দের যৌথতায় ডোনাল্ড জাস্টিসের কবিতা এক স্মরণযোগ্য ঘটনা হয়ে ওঠে।

Read More »

প্যারিস রিভিউ, ২৩৭তম সংখ্যা থেকে দুইটা কবিতা :: অমিত চক্রবর্তী

241139039_189234139837329_7297527432886660640_n

বিভিন্ন রোলে অভিনয় করার পারদর্শিতা অজর্ন করাটা সামাজিক জীব হিসাবে  আমাদের প্রধান সোসাইটাল ডিউটি । তারপরও কবিতা—অনুবাদকের ভূমিকায় কম-বেশি সবাই হয়তো প্যারানয়া অনুভব করে। “লস্ট ইন ট্রান্সলেশান” বিষয়টা আর কোনো কিছুর ক্ষেত্রে কবিতার মতো এতো জোরদার না। পেঙ্গুইনের একটা কবিতার অনুবাদ সংকলন দেখতে গিয়ে মজার জিনিস লক্ষ্য করেছিলাম— ওরা কবিতার ফর্মটা রাখে নাই অনুবাদে। স্রেফ টানা গদ্যে বিষয়বস্তু ন্যারেট করে গ্যাছে। বিষয়টা খুব ইন্টারেস্টিং তো অবশ্যই, যদিও তা তর্জমাকারীর নিজস্ব প্রেফারেন্সও হতে পারে। তবে বলতে চাচ্ছি যে, এই ডিলেমাটা ইউনিভার্সাল। কবিতার যে টেক্সচারটা আছে, সেটা কেবল তার “মাতৃ-ভাষায়” সঙ্গত হয়ে ওঠে— অনুবাদে হারায় যায়। এই টেক্সচার খুবই আজব জিনিস, আছে কি নাই আমরা টেরও পাই না, যতক্ষণ না প্লাস্টিকের মোড়ায় বসতে গিয়ে পিছলে পড়ে যাচ্ছি। মানে শুধু বিউটি না, মোড়ায় বসে থাকতে যে ফ্রিকশান’টা দরকার, তা কিন্তু টেক্সচারই দিচ্ছে। ফলত এটাকে কবিতার ফাংশনাল বা মূল জিনিস বলেই ভাবতে পারা দরকার। যাই হোক, এই সমস্যাগুলার কথা মাথায় আসেই, অনুবাদ করার সময়। এবং এটা একনোলেজ করেই অনুবাদের প্রকল্প হাতে নেয়া ভালো বলে মনে হয়।

এইখানে দুইজন কবির কবিতা অনুবাদ করা হয়েছে, প্যারিস রিভিউ এর ২৩৭তম সংখ্যা থেকে। দুইজনই সমসাময়িক মার্কিন কবি। নামের বাইরে আর অন্যান্য তথ্যাদি দেয়া হলো না এইখানে। আগ্রহীরা ইন্টারনেটে খোঁজ-খবর করতে পারবেন অনায়াসে। 

Read More »